Scroll.in

As publisher it is imperative that we understand the needs and demands of our authors. It is essential to mark and respect a poet’s sensibilities. Poets wish to share their aspirations, apprehensions, fears, and expectations with their publishers. Poets can only be dealt with successfully by another poet or writer. 

ফেরারি

দ্যাখো, বাঙালি বা অবাঙালি পাঠক বলে নয়, লেখায় পাঠককে ধরে রাখতে গেলে মায়াবৃত্তের প্রয়োজন হয়। প্রথমে লেখার দরজার ভেতর জোর করে ঠেলে দিতে হয়, তারপর যদি লেখার গুণ থাকে পাঠক এমনিই সেই বৃত্তে হাবুডুবু খাবেন। আর, যদি সেই মায়া, সেই সত্য না থাকে, পাঠক সব বুঝেও মুখ ফেরাবেন। আমি দেখেছি অনুবাদে এ কাজ আরও কঠিন। একটি অন্য ভাষার কাজ আমার নিজের ভাষায় নিয়ে এসে ফেলার কাজ যে খুব সহজ নয় তা আমিও অনুবাদ করতে গিয়ে হাড়ে-হাড়ে টের পেয়েছিলাম ‘শরণার্থী’-এর কাজ করতে গিয়ে।

আবহমান

অপরিচিত প্লট-টা কী? ন-টা রস আর ছ-টা রিপুর বাইরে নতুন কিছু আমদানি হয়েছে নাকি? হয়নি তো! তাহলে? হ্যাঁ, আমি প্রেমের গল্প বা থ্রিলার লিখছি না। কারণ, আমি প্রতিদিন চোখের সামনে দেখছি দু-বেলা খাওয়ার জন্য মানুষকে কী অমানুষিক পরিশ্রম করতে হয়! তারপরেও তারা প্রাপ্য পায় না। অসুস্থ হলে চিন্তায় থাকে, কাজটা থাকবে তো? অথচ আমরা বাকিরা এসবে নিশ্চিন্ত। কেবল চিৎকার করছি, গরু মা না কাকিমা! রাম না রাবণ! দীপিকা না আলিয়া! বাংলাদেশ না পাকিস্থান… তারা নিজেরাও কিন্তু নিজের-নিজের জায়গায় শোষিত অথচ সচেতন নন। মেতে থেকে ভুলে থাকেন নিজেদের ক্ষত। চোখ বন্ধ রেখে ভালো থাকেন, ওদিকে যে ঘর-দোর সব ফাঁকা করে নিয়ে গেল চোরে, সেদিকে খেয়াল নেই।

ঢাকা রিভিউ

লেখকদের ক্ষেত্রেও এমন হয়। আর এমন হওয়াটাই স্বাভাবিক। কারণ, যতক্ষন আমি লিখছি লেখাটা আমার, লেখা হয়ে গেলে তা পাঠকের। আর পাঠক কাকে নেবে বা মনে রাখবে তার হিসেব আজও করা সম্ভব হয় না। আমি জানি, আমি যখন এই বইটি লিখেছি তখন কোনো ছলনা করিনি। তাই এই বই আশা করি পাঠকের ভালো লাগবে। আর মনে রাখারাখি সেটা পাঠক আর সময়ের হাতেই ছেড়ে দিলাম।

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *