রাণীর ঘরে যে ধন আছে!

এমন জরুরি পরিস্থিতি ডুমুরদেশে বহুকাল আসেনি। রাণীমা একদম কোর মন্ত্রসভার মিটিং ডেকেছেন আজ বিকেলেই। এ দেশে রাজা নেই। রাণীমা বিয়ে করেননি। কিন্তু তিনিই রাণীমা। দিদি নয়, বোন নয়, মা নয় এমনকি ম্যাডামও নয়, তিনি নিজেই এক সকালে ঘোষণা করলেন আমাকে রাণীমা বলে ডাকবে দেশবাসী। কেউ কেউ মিন মিন স্বরে প্রশ্ন তুলেছিলেন, রাণীমা কেন? কার রাণী উনি? রাজা কই? প্রশ্নগুলো বিকেলের হালকা হাওয়ায় রাজবাড়ির জানলায় ভেসে আসতেই সান্ত্রি পাঠিয়ে টেনে আনা হল লাল বাড়িতে। লাল বাড়ি ঠিক জেলখানা নয়। ওটা এক বন্ধ ইস্কুল। ভেতরে যে কী হয় কেউ জানে না! তবে যে কজন ওখান থেকে বাইরে বেড়িয়েছেন তারা এখন রাণীমার সৈনদলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। বাকিদের নাকি খোঁজ নেই! ফলে কেউ আর ভুল করেও জানতে চায়নি, রাণীমা? কেন? যদিও তিনি রাণীমা, তবুও তিনি থাকেন সাদামাটাই। রাজিবাড়ির মন্দিরের পাশে তার একটি আশ্রম টাইপের কুঁড়েঘর আছে। সেখানেই দু-টনের এসি লাগিয়ে রাত কাটান তিনি। খানও সামান্য, গ্রামের চাল ভাজা, দিনে কিছু ফল, রাতে তিনটে রুটি আর এক বাটি সবজি ডাল। আমিষ তিনি খান না। আমিষে নাকি আয়ু কমে! তিনি আরও খানিক বাঁচতে চান। অনেক কাজ বাকি তার। কিন্তু যে সমস্যায় তিনি পড়েছেন, তাতে আর বাকি থাকা কাজ করে ওঠা মুশকিল। সে কারণেই আজকের এই মিটিং। 

কোর মন্ত্রীসভার আটজন সদস্য এসে গেছেন সময়ের আগেই। সকলের চোখের তলায় কালশিটে দাগ। বোঝা যায় রাতের ঘুম উড়েছে সকলের। চায়ের পাত্র কারোই খালি হয়নি। চা জুড়িয়ে জল হয়েছে। রাণীমা সঙ্গে বিস্কুটও পাঠিয়েছেন। তা কেউ হাতে তুলেও দেখেনি। অন্য সময় হলে বড় বাটিতে মুড়ি আর চানাচুর থাকতো। আজ দেশের এই দূরাবস্থায়, মুড়ির আড়ম্বর তিনি মেনু থেকে বাদ দিয়েছেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী এর মধ্যেই তিনবার বাইরে গেছেন সিগারেট টানতে। সকলেই জানেন রাণীমা সমাধান চাইবেন আজ। কিন্তু সমাধান? কেমন করে সম্ভব? কী আছে এর সমাধান? পুলিশমন্ত্রী চেয়ারে বসেই একটু ঢুলছিলো। চটকা ভাঙলো ফোনের রিং-এ। “হ্যাঁ, বলো?” দপ্তর থেকে নিশীথ ফোন করেছে। আজ ওকে কিছু ফাইল সই করে দেওয়ার কথা। সেগুলো নিয়ে ও রাণীমার কাছেই আসতো, কিন্তু… “স্যার, আপনি আসবেন না?”

—নাহে। আমি আজ কখন আসবো ঠিক নেই।

—তাহলে ফাইলগুলো? রাণীমা যে…

—আমি রানীমার কাছেই এসেছি। জরুরী কাজ আছে।

—ও আচ্ছা। তাহলে তো ফাইলগুলো…

—আরে রাখো তোমার ফাইল। ও হ্যাঁ, শোনো, আমি যে এখানে তা যেন কেউ না জানে। যদি কোনো সাংবাদিক জানতে পারে, তাহলে কিন্তু…

—বুঝে গেছি স্যার।

ফোনটা রেখে একবার চারিদিকে দেখে নেয় মন্ত্রীমশাই। সকলেই আলসভাবে তাদের মোবাইল ঘাঁটছে। রাণীমার বেয়ারা একবার দেখে গেল দরজার ফাঁক দিয়ে। অন্যদিন হলে আরেক রাউন্ড চা জাচাই করে যেত। “ওহে শিক্ষা, চলো বাইরে, দু-টান দিয়ে আসি!” শিক্ষাও অনেকক্ষণ ধরে উসখুস করছিলো একটু নিকোটিনের জন্য। সে আসলে এই মন্ত্রীসভায় একেবারেই নবীন। সিনিয়র দাদারা না বললে, হঠাৎ করে উঠে যাওয়াটা… বাইরের বারান্দায় গিয়ে পুলিশমন্ত্রীকে একটা সিগারেট অফার করে সে! পুলিশমন্ত্রীর পকেটে সিগারেটের প্যাকেট থাকলেও সে শিক্ষার সিগারেটই ধরালো। সবার সামনে নিজের জিনিস ব্যবহার সে করতে ভুলেই গেছে অনেককাল হল। টানা সতেরো বছর এক পদে থাকলে এসব অভ্যাস আর থাকে না। এই কটা বছরে তার বা তার পরিবারের এমন কিছু নেই যা সে নিজে কিনেছে। যদিও এ কেবল তার একার অভ্যাস নয়। এই কোর মন্ত্রীসভার সকলই একই হাল। শিক্ষা দলে নতুন বলে এখনো ওসব অভ্যাস করে উঠতে পারেনি। ওরও হয়ে যাবে আর বছর দুয়েক চেয়ারে বসলেই। মন্ত্রীসভার মন্ত্রীদের মতনই তাদের সেনা ফলোয়ার্সদেরও একই হাল। যতটা পারে অন্যের ‘উপহার’ এবং ‘উপঢৌকনের’ ওপরই তাদের ভরসা। “তা শিক্ষা, কিছু উপায় ভাবলে?” শিক্ষা সিগারেটে একটা লম্বা টান দিয়ে কিছু একটা বলতে যাচ্ছিলো এমন সময় খাদ্যমন্ত্রী দরজার বাইরে গলা বাড়িয়ে ডাক দিলো, “রাণীমা এসে গেছেন”। আধখাওয়া সিগারেটটা পায়ে পিষে পড়িমরি করে ঘরে ঢুকলো দুজনে। রাণীমা তার সেই তসর রঙের শাড়ি ঘাড়ের ওপর ঘোমটা তুলে সেন্টার চেয়ারে বসে আছেন। আবদালি এঁটো কাপগুলোকে ট্রেতে তুলছে। রাণীমার চোখ সেদিকেই। মুখ গম্ভীর। নিজেদের চেয়ারে বসে পুলিশমন্ত্রী একবার চারিদকটা দেখে নিলো। সকলেরই মুখ কাঁচুমাচু। ভাব এমন যেন এক্ষুনি কাউকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে! আবদালি পিছনে না তাকিয়েই দরজা বন্ধ করে দিলো। রাণীমা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে মুখে এক কুঁচি এলাচ দিলো। সুগন্ধী মুখে রাখা রাণীমার দীর্ঘদিনের অভ্যাস। এতে কটু কথার গায়েও সুগন্ধ লেগে থাকে।

—খাদ্য, ব্যাপারখানা কী? দেশের লোকে দেশ ছেড়ে পালাচ্ছে কেন?

খাদ্যমন্ত্রী একটু হকচকিয়ে গলায় জমে থাকা কফকে গিলে উত্তর দেয়,

—সে তো জানি না রাণীমা!

—কে জানে তবে?

—পুলিশ…

খাদ্যমন্ত্রী পুলিশমন্ত্রীর দিকে তাকিয়ে মাথা নাড়ে।

—ওমা আমি জানি নাকি? রেশনে পাঁচ কেজি চাল দেবে বলে তুমি এক কেজি কেন দাও সেতো তুমিই জানো হে খাদ্য! আর স্বাস্থ্যমন্ত্রী তো…

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আঁতকে ওঠে।

—ওমা, এ কেমন কথা? আমি সব্বার পিছনে ইনজেকশন নিয়ে দৌড়াচ্ছি নাকি!

—তা দৌড়াচ্ছো না বলেই না এ অবস্থা! রোগ হলে কেবল চকের ট্যাবলেট খাওয়ালে লোক পালাবে না তো কী এ দেশে রাজপ্রাসাদ খুলবে?

পুলিশমন্ত্রী খেচিয়ে ওঠে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ওপর। এসব কথাবার্তা শুনে শিক্ষামন্ত্রী খিক খিক করে হেসে ওঠে।

—এই যে শিক্ষা তুমি আর দাঁত ক্যালিয়ো না!

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ধমক লাগায় শিক্ষাকে।

—এতদিন তো শিক্ষকদের থেকে টাকা নিয়ে চাকরি দিতে, এখন তো আবার শুনলাম ছাত্রদেরও অ্যানসার শিট বেচতে শুরু করেছো! এবার তো মনে হচ্ছে স্কুলের চক-ডাস্টারটাও তোমরা ছাড়বে না! আর শোনো হে শিক্ষা, বেশি পুলিশের পিছন পিছন ঘুরো না, ওর যা অবস্থা, কোনদিন দেখবে ওরই সিভিক সেনা-ছ্যামড়ারা তোমার গাড়ি থামিয়েই ‘চাঁদা’ চাইছে!

—এই স্বাস্থ্য…

পুলিশমন্ত্রী চেয়ার ছেড়ে উঠে পরে।

—এই থাম সকলে।

রানীমা ধমকে ওঠেন তারস্বরে।

—চোরের মায়ের বড় গলা!

রাণীমার রুদ্র মূর্তি দেখে যুযুধাম সব পক্ষই স্থির হয়ে বসলো নিজেদের চেয়ারে।

—এ চোর, ও চোর আর বাকি সব সাধুপুরুষ! তা বলি রেশনের চালটা চুরি না করলে তোর বাড়িতে ভাত চড়বে? নিজে শেষ কবে বাজার থেকে চাল কিনেছিস ভেবে বলিস তো?

পুলিশমন্ত্রীর দিকে আগুন নজর ফেলে কথাগুলো বললো রাণীমা। পুলিশমন্ত্রীর মাথা যেন মাটিতে মিশে যাচ্ছে। এবার রাণীমার চোখ ঘোরে ঘরে থাকা বাকিদের দিকে।

—এ চাঁদা তোলে, ও চকের ট্যাবলেট দেয়, এসব নিয়ে না ভেবে ভাবো সেই টাকাগুলো আসে বলেই নিজেদের হানিমুন থেকে চিকিৎসার জন্য চার সমুদ্র পার করে বিদেশে যেতে পারো। শিক্ষা বিক্রি না করলে আমিও দেখবো কেমন করে নিজেদের লকার থেকে নিজেদের সম্পদ বের হয়! তাই বলছি নিজেদের মধ্যে কামড়াকামড়ি না করে যে বিপদে এখন পড়েছি তা থেকে কেমন করে নিস্তার পাওয়া যায় ভাবো। দেশ তো খালি হয়ে যায়! হয় তাদের ফিরিয়ে আনবার ব্যবস্থা করো, না হয় গুপ্তধন খুঁজে বের করো। তা না করতে পারলে আমিও দেখবো তোদের নিজেদের গুপ্তধন কতদিন সুরক্ষিত থাকে! নাও এবার উপায় বলো।

রাণীমা চেয়ারে বসতেই কোর মন্ত্রীসভার সবচেয়ে প্রবীন মানুষ আইনমন্ত্রী বেশ ভারিক্কী চালে নিজের চেয়ার ছেড়ে ওঠবার চেষ্টা করেন। কিন্তু উঠতে পারলেন না। একশো পয়ত্রিশ কেজি ওজন একটানে উঠে দাঁড়াবার জন্য একটু বেশিই! রাণীমা তাকে হাতের ইশারায় বসেই নিজের কথাটুকু বলতে বললেন। নির্দেশ মতন আবারও চেয়ারে গা এলিয়ে দিয়ে গলাটা পরিষ্কার করে শুরু করলেন আইনমন্ত্রী।

—দেশের গভীর দুঃসময়ে আমাদের আরও বেঁধে বেঁধে থাকতে হবে। না হলে সমূহ বিপদ।

ভূমিকাতে আরও কিছু বলতে যাচ্ছিলেন আইনমন্ত্রী রাণীমা বাঁধা দিলেন।

—থামো। এটা তোমার জনসভা নয় যে দশ পাতার ভূমিকা শোনাবে! পয়েন্টে এসো।

আইনমন্ত্রী আবারও গলা পরিষ্কার করে শুরু করলেন,

—আমার মনে হয়, যারা গেছে তারা যাক। একটা সম্মেলন করে অন্য দেশের নতুন জনসাধারণকে ফেলে যাওয়া বাড়িগুলোতে বসিয়ে দেওয়া হোক। আর এই নতুন নাগরিক নির্বাচনের জন্য বিশেষ শর্ত হিসেবে পুলিশকে দেখে নিতে হবে সম্পদ কত আছে। তাহলেই প্রবলেম সলভড।

পুলিশমন্ত্রী আবার ফুট কাটলেন,

—এত সোজা দাদা, নতুন লোক আনিয়ে বসানো! যারা বাইরে চলে গেছে তাদের নিয়ে কিছু দেশদ্রোহী আর সাংবাদপত্র এমন অপপ্রচার করছে যে অন্য দেশের লোকেরাও এ দেশে এসে থাকা তো দূর, ঘুরতে পর্যন্ত আসতে চাইছে না!

—তার ওপর আমাদের সৈন্যগুলো ফাঁকা বাড়িগুলোকে দখল করেছে। এখন এত সহজে ছাড়বে না। আট মাস মাইনে পায়নি। কিছু না দিলে ওদের দিয়ে কাজ করাবো কেমন করে?

এতক্ষণে শিক্ষামন্ত্রী মুখ খুললো।

—তাহলে এক কাজ করা যাক, রাণীমা আবারও একটা মাসহারাও ঘোষণা করুক মৃতপ্রায় মানুষদের জন্য। এতে দুটো সুবিধে হবে। হাভাতেগুলো মাসহারার লোভে ওদের বাড়ির বুড়ো-বুড়িগুলোকে নিয়ে আবার ফিরবে, আর বুড়োগুলো কেউ-ই বেশিদিন বাঁচবে না, ফলে কোষাগারেও চাপ তেমন থাকবে না!

খাদ্যমন্ত্রী নিজের আইডিয়া দিয়ে বেশ তৃপ্ত চোখে রাণীমার দিকে তাকায়।

—সেই বুড়োগুলো যদি পাঁচ বছরও বাঁচে ততদিন কী তোর কোষাগার থেকে টাকাটা দিবি তুই? আর হ্যাঁরে, তোদের আমার কোষাগারে এত চোখ কেনরে? আমি দেব মাসহারা, আর তোরা সেগুলোকে চুরি করে নিজেদের ঘর ভরবি? এ জন্য তোদের পুষি আমি? নতুন যদি না সম্পদ আমাকে এনে নাই দিতে পারিস, তাহলে দূর হ সব পরগাছা!

—কিন্তু রাণীমা, আগেরবারও আপনার দেওয়া মাসহারার অনেকটাই আপনাকে ফেরত দিয়েছি…

খাদ্যমন্ত্রী শেষবারের জন্য কনভিন্স করতে চায়। রাণীমা এ কথায় আরও তেলে-বেগুনে জ্বলে ওঠে।

—কত ফেরত দিয়েছিসরে খাদ্য? একশো টাকা নিয়ে ত্রিশ টাকা ফেরত দিলে আমার কী থাকেরে? সত্তোর টাকা লস?

এই প্রথম খাদ্যমন্ত্রীর গলার স্বর একটু ওপরের দিকে যায়,

—বাকিগুলোর হিসেব লাগালেন না রাণীমা? খাদ্য থেকে পুলিশ, স্বাস্থ্য থেকে শিক্ষা যে যে দপ্তর থেকে যা যা আসে, তার দশ শতাংশও কিন্তু আপনার কাছেই আসে রাণীমা!

—আমার কাছে আসবে নাতো কী তোর কাছে যাবে বাদর? দেশটা কার শুনি?

রাণীমার গলা দিয়ে এবার যেন এবার বোমা বেড়িয়ে এলো।

—আরে থামুন থামুন সকলে।

এতক্ষণে পরিবেশমন্ত্রী যেন ঘুম থেকে জাগলো। এই মন্ত্রীসভায় সেই সবচেয়ে বিচক্ষণ বলে মানে স্বয়ং রাণীমাও। ফলে সকলেই তার মুখের পানে তাকালো, যেন খর গ্রীষ্মের পর আকাশে বর্ষার মেঘ।

—নতুন লোক আসবেই। যাবে কোথায়? সারা পৃথিবীতে রাম রাজ্যটা আছে কোথায় শুনি? কিন্তু তাবলে তো আর ওগুলোর মুখের পানে চেয়ে হাপিত্যেশ করে বসে থাকা যায় না! রাণীমার কথায় নতুন গুপ্তধন খুঁজতেই হবে আমাদের। তোমরা বলবে যে দেশে লোকই নেই সেখানে আবার গুপ্তধন কোথায়? আছে বাবা, আছে! দেশের লোক পালালেও, আমাদের সৈন্য, সান্ত্রি, মাথামোটা ফলোয়ার্সগুলোতো আর পালায়নি! তারাও তো কামিয়েছে এতকাল! সে ধন কার? রাণীমার। আর রাণীমার মানে, তার কিছু প্রসাদ আমাদেরও। আমি বলি কী রাণীমা, নতুন চোরেদের টিম তৈরি করি আমরা। গোপনে। কেউ জানতেও পারবে না এ আমাদের কাজ। লোকে ভাববে অন্য শত্রু দেশের কাজ। আর আমাদের ক্ষয়ে যাওয়া কোষাগারও ভরে উঠবে! তারপর যখন নতুন লোক ফিরবে দেশে তখন আবার দেখা যাবে!

আজ সারাদিনে এই প্রথম রাণীমার মুখে প্রশান্তি খেললো! এক লাফে চেয়ার ছেড়ে উঠে পরিবেশকে জড়িয়ে ধরলো সে।

—এ জন্যই না তোকে এত ভালোবাসি পরি! আমি মরলে কথা দিলুম, এ দেশ তোর নামে লিখে দেব।

পরিবেশ একটু মুচকি হাসল, মনে মনে বললো, “যে নিজের রাজ্যেই চুরি করে খায়, সে দেবে আমাকে দেশ!”

[এই লেখা প্রাচীন রূপকথা আশ্রিত। যদি কেউ এর মধ্যে বাস্তবতার মিল খুঁজতে যায়, সে বিকারগ্রস্থ বলে ধরে নেওয়া হবে। ওম শান্তি।]

Tags: No tags

Leave a Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *